যেদিন আলাদা হলাম —
Vaskar's Bengali Poetry - ভাস্কর এর বেহিসেবি বিস্ফোরণ ... উচ্ছাস | উন্মাদনা | অনুরণন | যন্ত্রনা | হীনমন্যতা | হাসি-কান্না | প্রেম | যৌনতা | অভিঘাত | সফর | বল্গাহীন গদ্য | নির্বাক পদ্য | অভিমান, ইত্যাদি | Bengali Poems | Bangla Poetry | Bengali Poetry
সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
ফুটনোট
মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫
অনু কবিতা - অক্টোবর ২০২৫
মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০২৩
শুভকামনা
কখনো অন্যমনে, নির্লিপ্ত অনু ক্ষণে
অবসন্ন অবেলায়, উপেক্ষিত হৃদি কোণে
হটাৎ মুচড়ে ওঠা স্মৃতির উত্তাল ভিড়ে
এক খন্ড ছবি যেন ভাসে আনমনে |
বুদ্বুদের মতো টুকরো অতীত, কিছু
ভারহীন ভাবনারা জড়ো হয় প্রাণে
যা কিছু ভুল, অযতনে ঝরে যাওয়া ফুল
একাকী মন ভেজে স্যাঁতসেতে অভিমানে |
তবু, ভাঙা কত জানালার ফাঁক ঢাকা,
বলিরেখা বরাবর বিবর্ণ হাসি আঁকা,
ভালোবাসা আবছায়া, জড়ো হয়ে দোরে
বলে যায় নিশিদিন, শুভ হউক প্রতি ক্ষণে |
© ভাস্কর ভট্টাচার্য | ০৮.০৫.২০২৩
রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৩
আকাশ, সিন্ধু, ... নারী
নীল হারায় যেথা দিগন্তের বুকে,
খুঁজেছি সেথায় সুখে আর দুখে;
বারেবার ছুঁয়ে দেখে মুহূর্তরা,
অপটু পুরুষ মন, দৃষ্টি আনকোরা;
সূর্যের অচেনা নীল রঙের খোঁজে,
আলগা অভিমান, ভরসা রোজের;
অমৃতের সন্ধানে কবেই দিয়েছি পাড়ি,
সাথে আকাশ, পাশে সিন্ধু ... আর নারী |
© ভাস্কর ভট্টাচার্য | ২০.০৪.২০২৩
সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
ভালো আছি
ভালো আছি, ভালো থাকারই আয়োজন,
কখনো ডাইনে, কখনো বা বাঁয়ে
হয়তো বা গতিপথের বুক চিরে, একটু ধীরে
কোন ঘেসে দাঁড়িয়ে একগুঁয়ে ঠায়ে |
অগুনতি ছায়ালোক পেরিয়ে, নিশুতে
মাথার বালিশের ধারে বা লেপের কোনে,
চুপটি করে গুটলি পাকানো ধূমকেতুটা
ভালো থাকার মন্ত্র আওড়ায় যেখানে এক মনে |
কত শত ভরা কোটালের কালশিটে গায়ে,
প্রৌঢ় নৌকোর শরীর জুড়ে সজীব কাঠের কাজ,
ভাবে যদি নতুনের খোঁজে দেওয়া যায় পাড়ি
আরেকটিবার, গায়ে জোনাকি গাঁথা নতুন সাজ |
হয়তো বসন্ত, নতুবা বিষয়, বাসনা অন্তহীন,
থাকে যদি থাক সব অবসাদ বা জমাট যত গ্লানি,
অলস উঠোন পেরিয়ে সরু গলি ছাড়ালেই
বড় রাস্তার মুখে দাঁড়ানো অমরত্বের হাতছানি |
পরাভব যত, অপমান শত শত, কখনো ভাবিনি
এই চলন অযথা, যত প্রস্তুতি সব নিষ্প্রয়োজন,
ভোরের আলোয় নতুন তারে ফের কষেছি বীণা,
ভালো আছি, আসলে সব ভালো থাকারই আয়োজন |
© ভাস্কর ভট্টাচার্য | ১৩.০২.২০২৩
শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
অনু কবিতা - সংকলন ৬
কাঠামটা তো দুর্বল হয়েছে কয়েক দশক আগেই, নিঃশব্দে
কালের ঝামায় উজ্জ্বল তামাটে ছালটাও ফ্যাকাশে, অচেনা
ঘোলাটে অতীত, চটচটে যন্ত্রনা আর ধূসর খাঁজগুলির সীমানায়
জীর্ণ হাপরের বিষন্ন ধোঁয়া আজও বিলোয় মোক্ষলাভের ঠিকানা |
মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২
আস্তর
কোনো কোনো নিষ্প্রাণ অসহায় রাতে,
শূন্যতা ফুঁড়ে উঠে আসা আকুতিরা যখন
শিরদাঁড়া বেয়ে ওঠা-নামার ক্লান্তি ভুলে,
পাঁজরের এক কোনে জমে থাকা
মরচে পড়া বিষন্নতা খুঁটে খুচরো যন্ত্রণার মালা গাঁথে,
নিষ্প্রাণ স্থবির মন রাতের অগোচরে তখন
তোমার চিহ্ন কুড়োয় আলগোছে,
আলুথালু তোষকের ছিন্নভিন্ন কার্পাসে |
© ভাস্কর ভট্টাচার্য | ৩১.১০.২০২২
বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
জন্ম চিহ্ন
শেষ যেবার রাত ভোর বিবস্ত্র করে
জন্ম চিহ্ন খোঁজার চেষ্টা করেছিলে,
প্রতিবাদ করতেই, মানুষ চেনার
এটাই নাকি সাচ্চা উপায়, বলেছিলে |
অন্ধকারের আলোয়, থুতনির খাঁজে
বাদামি তিলটাকে দেখে বলেছিলে,
অনুরত পুরুষের অমন তিল অশালীন
নির্ঘাত বেহায়া চরিত্রহীন ভেবেছিলে |
আমি যে তোমার যোগ্য, প্রমান হোক
হয়ত তাই মনে মনে চেয়েছিলে,
তাই বোধ হয় রাত ভোর বিবস্ত্র করে
জন্ম চিহ্ন খোঁজার চেষ্টা করেছিলে |
ভোরের আলো ভাঙতেই স্যাঁতসেঁতে
চোখের আকুতি লুকোতে চেয়েছিলে,
জানি ভালোবেসেছিলে অজান্তেই, তাই
অমন করে জন্ম চিহ্ন খোঁজার চেষ্টা করেছিলে |
© ভাস্কর ভট্টাচার্য | ১৫.০৯.২০২২